এইচ এস সি উদ্ভিদবিজ্ঞান-উদ্ভিদের প্রজনন

Posted by: | Published: Thursday, June 16, 2016 | Categories:
ওয়েব স্কুল বিডি : সুপ্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, শুভেচ্ছা নিয়ো। আজ তোমাদের এইচ এস সি উদ্ভিদবিজ্ঞান-উদ্ভিদের প্রজনন নিয়ে আলোচনা করা হলো

অনলাইন এক্সামের বিভাগসমূহ:
জে.এস.সি
এস.এস.সি
এইচ.এস.সি
সকল শ্রেণির সৃজনশীল প্রশ্ন (খুব শীঘ্রই আসছে)
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি (খুব শীঘ্রই আসছে)
বিসিএস প্রিলি টেষ্ট

এইচ এস সি উদ্ভিদবিজ্ঞান-উদ্ভিদের প্রজনন

প্রারম্ভিক আলোচনা: অধ্যায়টি ছোট। কিছু জিনিস একবার জেনে নিলে ভালো।

http://www.webschoolbd.com/
অধ্যায় সারবস্তু:

১. পরাগ মাতৃকোষে মিয়োসিস ঘটে পরাগরেণু উৎপন্ন হয়।

২. পরাগরেণু মাইটোসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় দু’টি অসম নিউক্লিয়াস সৃষ্টি করে। বড়টি নালিকা নিউক্লিয়াস আর ছোটটি জনন নিউক্লিয়াস।

৩. পূর্ণাঙ্গ ভ্রূণথলিতে দুই মেরু তো চারটা করে ডিপ্লয়েড কোষ থাকে, প্রতি মেরু থেকে একটি কোষ মাঝামাঝি জায়গায় এসে পরস্পর মিলিত হয়ে “সেকেন্ডারী নিউক্লিয়াস” গঠন করে।

৪. দুই মেরুতে যে তিনটি করে কোষ থাকে, এক মেরুতে ডিম্বাণু ও দু’টি সহকারী কোষ, আর অন্য মেরুতে তিনটি প্রতিপাদ কোষ থাকে।

৫. জনন নিউক্লিয়াস মাইটোসিস বিভাজনের মাধ্যমে দু’টি পুংগ্যামেট তৈরি করে, একটি ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হয়, যাকে সিনগ্যামি বলে। আরেকটি পুংগ্যামিট সেকেন্ডারী নিউক্লিয়াসের সাথে মিলিত হয়, যাকে ত্রিমিলন বলে। এই দুই জায়গায় পুংগ্যামিটের নিষেক-এর প্রক্রিয়াকে “দ্বিনিষেক” বলা হয়।

৬. নিষেকের পর:

· ডিম্বক বীজে পরিণত হয়

· গর্ভাশয় ফলে পরিণত হয়

৭. নিষেক ছাড়া ডিম্বাণু থেকে ভ্রূণ তথা নতুন জীব সৃষ্টির পদ্ধতিকে “পার্থেনোজেনেসিস” বলে। বোলতা, মৌমাছি ইত্যাদি প্রাণিদেহে এবং শৈবাল, মিউকর, ফার্ন, ইত্যাদি উদ্ভিদ দেহে এই পার্থেনোজেনেসিস পরিলক্ষিত হয়।

অনলাইন এ ক্লাস করুন একদম ফ্রী. …
(প্রতিদিন রাত ৯টা থেকে ১০.৩০টা পর্যন্ত)
Skype id - wschoolbd



Previous
Next Post »

আপনার কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্টস বক্স এ লিখতে পারেন। আমরা যথাযত চেস্টা করব আপনার সঠিক উত্তর দিতে। ভালো লাগলে ধন্যবাদ দিতে ভুলবেন না।
- শুভকামনায় ওয়েব স্কুল বিডি
ConversionConversion EmoticonEmoticon