আইসিটি অধ্যায়-৩: Written Question

Posted by: | Published: Wednesday, March 30, 2016 | Categories:
ওয়েব স্কুল বিডি : সুপ্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, শুভেচ্ছা নিয়ো। আজ তোমাদের জে.এস.সি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধ্যায় - ৩য় : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির নিরাপদ ও নৈতিক ব্যবহার থেকে সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর দেওয়া হলো।

অনলাইন এক্সামের বিভাগসমূহ:
জে.এস.সি
এস.এস.সি
এইচ.এস.সি
সকল শ্রেণির সৃজনশীল প্রশ্ন (খুব শীঘ্রই আসছে)
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি (খুব শীঘ্রই আসছে)
বিসিএস প্রিলি টেষ্ট

http://www.webschoolbd.com/
প্রশ্ন-০১ঃ মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম ভাইরাসমুক্ত থাকে কেন? কীভাবে পার্সোসাল কম্পিউটার ভাইরাসের হাত থেকে সুরক্ষিত রাখতে পারবে তা বিশ্লেষণ কর।
  উত্তরঃ মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম ভাইরাসমুক্ত থাকার কারণঃ মুক্ত বা ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেমে ভাইরাস আক্রমণ করতে পারে না। কারণ মুক্ত সফটওয়্যারের জন্য ভাইরাস তৈরি করা যায় না। ফলে এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম অপেক্ষাকৃত সুরক্ষিত এবং নির্ভরযোগ্য। পার্সোনাল কম্পিউটার ভাইরাসমুক্ত রাখার উপায়ঃ পার্সোনাল কম্পিউটারটি ভাইরাস হতে সুরক্ষিত রাখতে হলে প্রথমেই বুঝতে হবে কম্পিউটার ভাইরাস কেন ছড়ায়। তারপর সেই অনুসারে আমাদের সচেতন হতে হবে। এই ভাইরাস পাশাপাশি এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে যেতে পারে না। এটি যেতে পারে শুধুমাত্র তথ্য উপাত্ত কপি করার সময় বা নেটওয়ার্ক দিয়ে। একটা ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটার থেকে যদি কোনো সিডি বা পেনড্রাইভে কিছু কপি করে নেয়া হয় তবে ভাইরাসটাও কপি হয়ে যায়। পরে তা অন্য ভালো কম্পিউটারে লাগালে সেই ভালো কম্পিউটারও ভাইরাস আক্রন্ত হয়। তাই অন্য কম্পিউটার থেকে কিছু কপি করতে হলে সব সময়ই খুব সতর্ক থাকা উচিত। আজকাল কম্পিউটার নেটওয়ার্ক দিয়েও কম্পিউটার ভাইরাস খুব সহজে অনেক কম্পিউটারের মাঝে ছড়িয়ে পরে। পৃথিবীতে অনেক দুষ্ট মানুষ আছে যারা নিয়মিতভাবে নতুন নতুন ভাইরাস তৈরি করে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়। সুতরাং আমাদের ইন্টারনেট ব্যবহারে সতর্ক হতে হবে। ডাউনলোড করার ব্যাপারেও সতর্ক হতে হবে। আমাদের নিয়মিত এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হবে। উপরোক্ত বিষয়গুলো লক্ষ রাখলে এবং এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে অথবা মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম যা ভাইরাস আক্রান্ত হয় না তা ব্যবহার করলে পার্সোনাল কম্পিউটার ভাইরাসের হাত থেকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।

প্রশ্ন-০২ঃ এন্টিভাইরাস কী? সত্যিকারের ভাইরাস এবং কম্পিউটারে ছড়ানো ভাইরাসের মধ্যে কী মিল-অমিল আছে তা বর্ণনা কর।*** 
উত্তরঃ এন্টিভাইরাসঃ এনট্ভিাইরাস হলো এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারকে ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা করে। সত্যিকার ভাইরাস ও কম্পিউটার ভাইরাসের মিল-অমিলঃ সত্যিকারের ভাইরাস রোগ জীবাণু বহনকারী-যার ফলে আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ি এবং ঠিকভাবে কাজ করতে পানি না। আর কম্পিউটার ভাইরাস এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যার কারণে একটা কম্পিউটার ঠিক করে কাজ করতে পারে না। সত্যিকারের রোগজীবাণু বা ভাইরাস একজন মানুষ থেকে অন্য মানুষের কাছে গিয়ে তাকে আক্রান্ত করে। কম্পিউটার ভাইরাসও একটি কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়তে পারে। সত্যিকারের ভাইরাস মানুষের শরীরে এলে বংশ বৃদ্ধি করে করে অসংখ্য ভাইরাসে পরিণত হয়। কম্পিউটার ভাইরাসও সেরকম। সত্যিকারের ভাইরাস মানুষের অজান্তে মানুষকে আক্রান্ত করে, কম্পিউটার ভাইরাসও সবার অজান্তে একটা কম্পিউটারের বাসা বাঁধে। সত্যিকারের ভাইরাস নির্মূলে আমাদের সচেতন থাকতে হয় এবং অসুস্থ হলে ওষুধ খেতে হয়, কম্পিউটার ভাইরাসের হাত থেকেও বাঁচতে আমাদের সচেতন থাকতে হয় এবং কম্পিউটারে এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম রাখতে হয়। এসবই সাদৃশ্য, সত্যিকারের ভাইরস এবং কম্পিউটারের ভাইরাসের মাঝে শুধু একটিই পার্থক্য, একটি প্রকৃতিতে আগে থেকে আছে, অন্যটি অর্থাৎ কম্পিউটার ভাইরাস-কিছু অসৎ সেগুলো ছড়িয়ে দিচ্ছে।

প্রশ্ন-০৩ঃ কম্পিউটার হ্যাকিং কী? এটি একটি অনৈতিক কাজ-ব্যাখ্যা কর।** 
উত্তরঃ কম্পিউটার হ্যাকিংঃ হ্যাকিং বলতে বুঝানো হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বা ব্যবহারকারীর বিনা অনুমতিতে তার কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা। হ্যাকিং একটি অনৈতিক কাজ-এর ব্যাখ্যাঃ ইন্টারনেটে ঢুকে বিভিন্ন ওয়েবসাইট দেখা যায়। কিন্তু ওয়েবসাইটের নিজস্ব বা গোপন অংশগুলোতে ঢোকার প্রয়োজন নেই। যেখানে যেতে পারে ওয়েবসাইট সংশ্লিষ্ট নির্দিষ্ট মানুষজন যারা গোপন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে সেখানে প্রবেশ করে। তাদের সেখানে যাবার অনুমতি নেই তারাও কিন্তু সেখানে ঢোকার চেষ্টা করতে পারে। পাসওয়ার্ড জানা না থাকলেও সেটাকে পাশ কাটিয়ে অনেক সময় কেউ ওয়েবসাইটের ভেতরে ঢুকে যায়, সেখানে ঢুকে সে কোনো কিছু স্পর্শ না করে বের হয়ে আসতে পারে, আবার কোনো কিছু পরিবর্তন করে বা নষ্ট করেও চলে আসতে পারে। যেহেতু এই কাজগুলো করা হয় নিজের ঘরে একটা কম্পিউটারের সামনে বসে এবং যেখান থেকে অনুপ্রবেশ হয় সেটা হয়তো লক্ষ মাইল দূরের কোনো জায়গা-অদৃশ্য একটি সাইবার জগৎ, লোকচক্ষুর আড়ালে, তাই সেটা ধরার উপায়ও থাকে না। এই প্রক্রিয়াটির নাম হচ্ছে হ্যাকিং এবং আজকাল নিয়মিতভাবে ওয়েবসাইট হ্যাকিং হচ্ছে যেটা সম্পূর্ণরূপে অনৈতিক কাজ।

প্রশ্ন-০৪ঃ কম্পিউটার ভাইরাস কী? তুমি কীভাবে বুঝবে তোমার কম্পিউটারটি ভাইরাস আক্রান্ত হঢেছে?**
উত্তরঃ কম্পিউটার ভাইরাসঃ ভাইরাস হচ্ছে এক ধরনের বিপত্তি সৃষ্টিকরী প্রোগ্রাম। দুষ্ট বুদ্ধির কিছু মানুষ এক ধরনের প্রোগ্রাম তৈরি করে ফ্লপি ডিস্কে দিয়ে দেয় বা নেটওয়ার্কে ছেড়ে দেয়, যা কম্পিউটারের স্বাভাবিক প্রোগ্রামগুলোর কাজ বিঘিœত করে। এ ধরনের প্রোগ্রামকেই ভাইরাস বলা হয়। কম্পিউটারটি ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া যেভাবে বুঝা যাবেঃ কম্পিউটারের মাধ্যমে সবসময় স্বাভাবিক কাজই পাওয়া যাবে। আর এটি অতিদ্রুত সকল কাজ সম্পন্ন করবে। কিন্তু যদি এর স্বাভাবিকতা প্রদর্শিত না হয় তবে বুঝতে হবে যে, কম্পিউটারটি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। নি¤েœ কম্পিউটারটি ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার উপর্গগুলেঅ আলোচনা করা হলোÑ
১. কম্পিউটারটি স্বাবিকের চেয়ে ধীরগতি হলে।
২. প্রোগ্রাম লোড হতে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি সময় লাগলে।
৩. ডিস্ক ও ফাইল নষ্ট হয়ে গেলে।
৪. ডিস্কের নাম পরিবর্তন হলে।
৫. অযৌক্তিক প্রমাদবার্তা প্রদর্শিত হলে।
এ ছাড়া আরো অনেক প্রকার অস্বাভাবিকতা দেখা দিতে পারে। এ ধরনের অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে বুঝতে হবে কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে।
  •   ভাইরাস আক্রান্ত ফাইল এবং ডিস্ক ভাইরাসমুক্ত করে ব্যবহার করা 
  •  কম্পিউটার যাতে ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হতে না পারে সে জন্য ভাইরাস প্রতিরোধী ব্যবস্থা গ্রহণ করা 
  •  ভাইরাস অক্রান্ত পাইল এবং ডিস্ক ভাইরাসমুক্ত করা
  •   ভাইরাস প্রতিরোধ করার জন্য প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার পাওয়া যায়। 

 প্রশ্ন-০৫ঃ ম্যালওয়্যার কী? ম্যালওয়্যারের প্রকারভেদ বর্ণনা কর।** 
 উত্তরঃ ম্যালওয়্যারঃ কম্পিউটারে অনুপ্রবেশকারী বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়্যারের সাধারণ নাম হলো ম্যালওয়্যার।
ম্যালওয়্যারের প্রকারভেদঃ প্রচলিত ও শনাক্তকৃত ম্যালওয়্যারসমূহের মধ্যে নি¤েœাক্ত তিন ধরনের ম্যালওয়্যার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়
ক. কম্পিউটার ভাইরাসঃ কম্পিউটার ভাইরাস ও ওয়ার্মের মধ্যে আচরণগত পার্থক্যের চেয়ে সংক্রমণের পার্থক্যকেই বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন ধরনের ম্যালওয়্যার, যা কোনো কার্যকরী ফাইলের (ঊীবপঁঃধনষব) সঙ্গে যুক্ত হয়। এখন ওই প্রোগ্রামটি (এক্সিকিউটাবল ফাইল) চালানো হয়, তখন ভাইরাসটি অন্যান্য কার্যকরী ফাইলে সংক্রমিত হয়।
 খ. কম্পিউটার ওয়ার্মঃ অন্যদিকে কম্পিউটার ওয়ার্ম সেই প্রোগ্রাম, যা কোনো নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্যান্য কম্পিউটারকেও সংক্রমিত করে। অর্থাৎ কম্পিউটার ভাইরাস ব্যবহারকারীরর হস্তক্ষেপ ছাড়া (অজান্তে হলেও) ছড়িয়ে পড়তে পারে না। যেমন, কোনো পেনড্রাইভে কম্পিউটার ভাইরাসে আক্রান্ত কোনো ফাইল থাকলেই ত ছড়িয়ে পড়তে পারে না। যদি কোনো কম্পিউটারে সেই প্রেনড্রাইভ যুক্ত করে ব্যবহার করা হয় তাহলেই কেবল পেনড্রাইভের ভাইরাসটি সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে, ওয়ার্ম নিজে থেকেই নেটওয়ার্ক থেকে নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ে এবং নেটওয়ার্কের কম্পিউটারকে আক্রান্ত করে।
গ. ট্রোজান হর্সঃ ক্ষতিকর সফটওয়্যারের উদ্দেশ্য তখনই সফল হয়, যখন কিনা সেটিকে ক্ষতিকারক সফটওয়্যার হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। এজন্য অনেক ক্ষতিকারক সফটওয়্যার ভালো সফটওয়্যারের ছদ্মাবরণে নিজেকে আড়াল করে রাখে। ব্যবহারকারী সরল বিশ্বাসে সেটিকে ব্যবহার করে। এটি হলো ট্রোজান হর্স বা ট্রোজানের কার্যপদ্ধতি। যখনই ছদ্মবেশী সফটওয়্যারটি চালু হয় তখনই ট্রোজানটি কার্যকর হয়ে ব্যবহারকারীরর ফাইল ধ্বংস করে বা নতুন নতুন ট্রোজান আমদানি করে।

প্রশ্ন-০৫ঃ চোরাই কপি বলতে কী বুঝ? কয়েকটি সাইভার অপরাধ সম্পর্কে যা জান বর্ণনা কর।** 
উত্তরঃ চোরাই কপিঃ কোনো সৃজনশীল কর্মের কপিরাইট ভঙ্গ করে, যদি সে পুনরুৎপাদন করা হয়, তখন সেটিকে চোরাই কপি বলা হয়। কয়েকটি সাইবার অপরাধঃ তথ্যপ্রযুক্তি এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করে এই অপরাধগুলো করা হয় এবং অপরাধীরা সাইবার অপরাধ করার জন্য নিত্য নতুন পথ আবিষ্কার করে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে প্রচলিত কিছু সাইবার অপরাধ এ রকমঃ স্প্যামঃ আমরা যারা ই-মেইল ব্যভহার করি তারা সবাই কম বেশি এই অপরাধটি দিয়ে আক্রান্ত হয়েছি। স্প্যাম হচ্ছে যন্ত্র দিয়ে তৈরি করা অপ্রয়োজনীয়, উদ্দেশ্যমূলক কিংবা আপত্তিকর ই-মেইল, যেগুলো প্রতি মুহূর্তে আমাদের কাছে পাঠানো হচ্ছে। স্প্যামের আঘাত থেকে রক্ষা করার জন্য নানা ধরনের ব্যবস্থা নিতে গিয়ে সবার অনেক সময় এবং সম্পদের অপচয় হয়। আপত্তিকর তথ্য প্রকাশঃ অনেক সময়েই ইন্টারনেটে কোনো মানুষ সম্পর্কে ভুল কিংবা আপত্তিকর তথ্য প্রকাশ করে দেয়া হয়। সেটা শত্রুতামূলকভাবে হতে পারে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হতে পারে কিংবা অন্য যে কোনো অসৎ উদ্দেশ্যে হতে পারে। তথ্য প্রকাশ করে বিদ্বেষ ছড়ানোর চেষ্টা করায় বাংলাদেশে কয়েকবার ইন্টারনেটে ফেসবুক বা ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় সেবা বন্ধ রাখতে হয়েছিল। হুমকি প্রদর্শনঃ ইন্টারনেট, ই-মেইল বা কোনো একটি সামাজিক হুমকি যোগাযোগের সাইট ব্যবহার করে কখনো কখনো কেউ কোনো একজনকে নানাভাবে জ্বালাতন করতে পারে। ইন্টারনেটে যেহেতু একজন মানুষকে সরাসরি অন্য মানুষের মুখোমুখি হতে হয় না, তাই কেউ চাইলে খুব সহজেই আরেকজনকে হুমকি প্রদর্শণ করতে পারে। সাইবার যুদ্ধঃ ব্যক্তিগত পর্যায়ে একজনের সাথে আরেকজনের সংঘাত অনেক সময় আরো বড় আকার নিতে পারে। একটি দল বা গোষ্ঠা এমন কী একটি দেশ নানা কারণে সংঘবদ্ধ হয়ে অন্য একটি দল, গোষ্ঠী বা দেশের বিরুদ্ধে এক ধরনের সাইবার যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারে। ভিন্ন আদর্শ বা ভিন্ন রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে এ ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটছে এবং সেখানে অনেক সময়ই সাইবার জগতের রীতিনীতি বা আইনকানুন ভঙ্গ করা হয়।

 ৬. প্রশ্ন: দুর্নীতি নিরসনে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার লেখো। 
উত্তর: দুর্নীতি নিরসনে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিচে দেওয়া হলো: ১. বর্তমানে তথ্য সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়া করার জন্য পুরো পদ্ধতিকেই তথ্যপ্রযুক্তির আওতায় আনতে হয়েছে। তাই কোনো তথ্য ভুল হলে বা লেনদেনে অনিয়ম হলে তা সহজেই সবার সামনে প্রকাশ পেয়ে যাচ্ছে। ২. টেন্ডার প্রক্রিয়াটি আগে লিখিতভাবে হতো, কিন্তু বর্তমানে ই-টেন্ডারিংয়ের মাধ্যমে এর আর্থিক লেনদেনে বা টেন্ডার চুরির ঘটনা কমে যাচ্ছে। বাংলাদেশে ই-টেন্ডার করার জন্য বিশেষ পোর্টাল তৈরি হয়েছে। ৩. ই-কমার্স প্রক্রিয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্য হওয়ার কারণে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। যাতে মধ্যভোগী লোকেরা কোনো সুযোগ নিতে পারছে না। ৪. পরীক্ষার ফলাফল দেখার ক্ষেত্রে ওএমআর পদ্ধতি ব্যবহার করায় দুর্নীতির কোনো সুযোগ থাকছে না। ৫. এখন ইন্টারনেটের কারণে, মিডিয়ার কারণে ক্ষমতাশীল মানুষের বিরুদ্ধে, তাদের অন্যায় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মানুষের মতামত প্রদানের এবং একত্র হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এতে কেউ চাইলেই দুর্নীতি করতে পারবেন না।

৭. প্রশ্ন: সাইবার অপরাধ কী? কীভাবে সাইবার অপরাধে আক্রান্ত হওয়ার ক্ষেত্র তৈরি হয়, সংক্ষেপে লেখো। 
উত্তর: সাইবার অপরাধ হলো এমন এক ধরনের অপরাধ, যা ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে হয়। তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেটের কারণে আমাদের জীবনে যেমন অনেক নতুন নতুন সুযোগ-সুবিধার সৃষ্টি হয়েছে, ঠিক সে রকম সাইবার অপরাধ নামে পরিচিত সম্পূর্ণ নতুন ধরনের এক অপরাধের জন্ম হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে এ অপরাধগুলো করা হয় এবং অপরাধীরা সাইবার অপরাধ করার জন্য নিত্যনতুন পথ আবিষ্কার করে যাচ্ছে। নানাভাবে সাইবার অপরাধে আক্রান্ত হওয়ার ক্ষেত্র তৈরি হয়। ইন্টারনেটে ব্যবহূত বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা যদি আমরা সচেতনভাবে গ্রহণ করতে না পারি, তবে এর সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এর মধ্যে একটি হলো স্প্যাম ই-মেইল। এ স্প্যাম ফোল্ডারে নানা ধরনের অপ্রয়োজনীয় ও উদ্দেশ্যমূলক ই-মেইল আসে, যার মাধ্যমে এ ধরনের অপরাধীদের দ্বারা অনেকেই আক্রান্ত হয়। সাইবার অপরাধের একটা বড় অংশ হলো প্রতারণা। বিশেষ করে নানা সামাজিক যোগাযোগের সাইট যেমন ফেসবুক, টুইটার-এ ভুল তথ্যকে বিশ্বাস করে প্রতারিত হওয়ার ক্ষেত্র তৈরি হয়। এ ছাড়া ইন্টারনেটে নিজের পরিচিতি সংরক্ষণ করা না গেলে, নিজেদের ব্যক্তিগত ই-মেইল, মোবাইল নম্বর প্রাইভেসি অবস্থায় না রাখলে সাইবার ক্রিমিনালরা আপত্তিকর বা ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করে দিতে পারে এবং তথ্যের ভিত্তিতে ই-মেইল বা ফেসবুকের মাধ্যমে হুমকিও প্রদর্শন করতে পারে। যেহেতু এখানে কেউ কাউকে সামনাসামনি দেখতে পায় না তাই একজন আরেকজনকে হুমকি প্রদর্শন সহজ হয়ে যায়। এ ছাড়া বড় আকারে তা দেশের মানহানিরও কারণ হতে পারে। এটি একটি নতুন ধরনের অপরাধ। এ ব্যাপারে তাই সচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত প্রয়োজন।

অনলাইন এ ক্লাস করুন একদম ফ্রী. …
প্রতিদিন রাত ৯টা থেকে ১০.৩০টা পর্যন্ত
Skype id - wschoolbd


বি.দ্র.: ওয়েব স্কুল বিডি থেকে বিদেশে পড়াশোনা সংক্রান্ত বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমাদের সাথে যোগাযোগ – 01571769905 (সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত)।


Previous
Next Post »

2 Comments

Click here for comment

আপনার কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্টস বক্স এ লিখতে পারেন। আমরা যথাযত চেস্টা করব আপনার সঠিক উত্তর দিতে। ভালো লাগলে ধন্যবাদ দিতে ভুলবেন না।
- শুভকামনায় ওয়েব স্কুল বিডি
ConversionConversion EmoticonEmoticon