আইসিটি অধ্যায়-৩ : সংখ্যাপদ্ধতি ও ডিজিটাল ডিভাইস

Posted by: | Published: Saturday, March 26, 2016 | Categories:
ওয়েব স্কুল বিডি : সুপ্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, শুভেচ্ছা নিয়ো। আজ তোমাদের এইচ.এস.সি বা উচ্চমাধ্যমিকের আইসিটি আইসিটি অধ্যায়-৩ : সংখ্যাপদ্ধতি ও ডিজিটাল ডিভাইস এর খুঁটিনাটি নিয়ে আলোচনা করা হলো

অনলাইন এক্সামের বিভাগসমূহ:
জে.এস.সি
এস.এস.সি
এইচ.এস.সি
সকল শ্রেণির সৃজনশীল প্রশ্ন (খুব শীঘ্রই আসছে)
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি (খুব শীঘ্রই আসছে)
বিসিএস প্রিলি টেষ্ট

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সংখ্যা পদ্ধতি ও ডিজিটাল ডিভাইস
অধ্যায়ঃ তৃতীয়


সংখ্যা পদ্ধতি এবং রূপান্তরসমূহ ভূমিকাঃ
সংখ্যা পদ্ধতি ও আন্তঃপদ্ধতি রূপান্তর প্রক্র‌িয়া সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা ডিজিটাল ইলেকট্রনেক্সের প্রাথমিক জ্ঞানের অন্তর্ভূক্ত বিষয়। এই বিষয়ে জ্ঞান লাভ না করলে ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সের নানাবিধ গাণিতিক ও যৌক্তিক অপারেশন, কার্য প্রক্র‌িয়া, নকশা প্রনয়নের কৌশল এবং উন্নয়ন কোন কিছুই সম্ভব নয়।

http://www.webschoolbd.com
সংখ্যা পদ্ধতি কি? 
সংখ্যা পদ্ধতি হলো কোন সংখ্যাকে উপস্থাপন করার জন্য নির্দিষ্ট লিখিত রূপ বা পদ্ধতি যাতে কিছু সংখ্যক নির্দিষ্ট ‘সংখ্যা প্রতীক’ ব্যবহার করা হয় এবং এই সকল প্রতীকসমূহ হতে সুনির্দিষ্ট নিয়মে সজ্জিত একগুচ্ছ প্রতীক যা একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা মান প্রকাশ করে। সংখ্যা প্রকাশের এরূপ নিয়ম, পদ্ধতি বা রীতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়। এককথায়, কোন সংখ্যা প্রকাশের লিখিত পদ্ধতিকেই সংখ্যাপদ্ধতি বলা হয়ে থাকে। এই সকল ‘সংখ্যা প্রতীকগুলোকে’ আমরা ‘ডিজিট’ বা বাংলা ভাষায় ‘অংক’ বলে জানি। সংখ্যা প্রকাশ করার ক্ষুদ্রতম প্রতীক হচ্ছে অংক। যেমন 1, 2, 3 আলাদা তিনটি অংক, এই তিনটি অংককে একত্রে সাজিয়ে পাই 312 তিনশত বারো, যা একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা। আবার 1, 2 এবং 3 এদের প্রত্যেকের স্বতন্ত্র সাংখ্যিক মান আছে।এভাবে সংখ্যা পদ্ধতিতে বিভিন্ন অংককে নিয়ম মত সাজিয়ে বিভিন্ন সংখ্যা পাওয়া যায়। এ সকল সংখ্যাসমূহকে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি গাণিতিক প্রক্র‌িয়ার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় গণনার কার্য সমাধা করা যায়।

 অংক বা সংখ্যা প্রতীকের নিজস্ব মানঃ
প্রত্যেক সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অংকসমূহের অন্তর্গত প্রতিটি অংকের একটি করে নিজস্ব সংখ্যাগত মান রয়েছে।আবার এই সকল অংকসমূহ হতে একগুচ্ছ অংককে নিয়মানুযায়ী সাজিয়ে বিভিন্ন সংখ্যা তৈরী করা যায়। যেমনঃ ডেমিমেল বা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট দশটি অংক রয়েছে, এরা হলো 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 এদের নিজস্ব মান নিম্নরূপঃ
0 এর নিজস্ব মান শূন্য
1 এর নিজস্ব মান এক
2 এর নিজস্ব মান দুই
3 এর নিজস্ব মান তিন
4 এর নিজস্ব মান চার
5 এর নিজস্ব মান পাঁচ
6 এর নিজস্ব মান ছয়
7 এর নিজস্ব মান সাত
8 এর নিজস্ব মান আট
9 এর নিজস্ব মান নয়
আবার এই সকল অংকসমূহ হতে এক গুচ্ছ অংককে নিয়মানুযায়ী সাজিয়ে বিভিন্ন সংখ্যা তৈরী করা যায়।যেমনঃ 937 সংখ্যাটির মান নয়শত সায়ত্রিশ, 356 সংখ্যাটির মান তিনশত ছাপ্পান্ন ইত্যাদি।

সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Radix or Base):
 কোন সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ঐ সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অংকসমূহ বা প্রতীকসমূহের মোট সংখ্যা। যেমনঃ ডেসিম্যাল বা দশমিক পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 10, কারণ দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট দশটি অংক বা প্রতীক (0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9) রয়েছে। অনুরূপ বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি 2, কারণ বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট দুটি অংক বা প্রতীক (0, 1) রয়েছে। অকট্যাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি 8, কারণ অকট্যাল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট আটটি অংক বা প্রতীক (0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7) রয়েছে। হেক্সাডেসিম্যাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি 16, কারণ হেক্সাডেসিম্যাল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ষোলটি অংক বা প্রতীক (0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F) রয়েছে।


অংক বা সংখ্যা প্রতীকের স্থানীয় মানঃ 
যে কোন সংখ্যার অন্তর্গত ডিজিট বা অংকসমূহের অবস্থানগত মানকে স্থানীয় মান বলা হয়। ‘স্থানীয় মান’সংখ্যা পদ্ধতির একটি বিশেষ রীতি/নিয়ম যার মাধ্যমে উচ্চতর সংখ্যাসমূহকে প্রকাশ করা যায়।ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা পদ্ধতির ক্ষেত্রে স্থানীয় মানের তারতম্য হয়।যেমন: দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে কোন সংখ্যার সর্বডানের অংকের মান নিজস্ব মানের একক বা এক গুণ, ডানদিক হতে দ্বিতীয় ঘরে অবস্থিত অংকের স্থানীয় মান নিজস্ব মানের দশ গুন, তৃতীয় ঘরে অবস্থিত অংকের স্থানীয় মান অংকটির নিজস্ব মানের একশত গুন, এভাবে প্রতিটি ঘরের স্থানীয় মান তার পূর্ববর্তী ঘরের স্থানীয় মানের দশগুন হারে বাড়তে থাকে, অর্থাত প্রকৃত কথা হলো অংক যত বামে যেতে থাকে তার স্থানীয় মান সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি এর ঘাত অনুযায়ী বাড়তে থাকে।নিচের উদাহরণসমূহ লক্ষ্যনীয় –

১। প্রশ্নঃ বাইনার‌ি সংখ্যা কম্প‌িউটার‌ের জন্য ক‌েন অত্যাবশ্যকীয় - ব‌িশ্ল‌েষণ কর। 
 উত্তরঃ বাইনার‌ি সংখ্যা দ্বারা কম্প‌িউটার ন‌িয়ন্ত্র‌িত হয় তার স্বপক্ষ‌ে যুক্ত‌ি নিম্ন‌ে দেয়া হল‌ো-
১. বাইনার‌ি সংখ্যা পদ্ধত‌িতে যেহ‌েতু ০ এবং ১ এই দুইট‌ি বিট (Bit) ব্যবহৃত হয়, তাই ইল‌েক্ট্রন‌িক যন্ত্র‌ে এই পদ্ধত‌ি ব্যবহার করা সুব‌িধাজনক।
২. কম্প‌িউটার‌ের ক্ষ‌েত্র‌ে বা য‌ে কোন ইল‌েক্ট্রন‌িক যন্ত্র দুইট‌ি অবস্থা সহজ‌েই বুঝত‌ে পার‌ে। একট‌ি হল‌ো সুইচ অন(ON) ও অপরট‌ি হল‌ো সুইচ অফ (OFF)। বাইনার‌ি ০ বি‌ট (Bit) দ্বারা অফ (OFF) বা ল‌ো (LOW) বা ফলস (FALSE) বা ন‌ো (NO) এবং ১ ব‌িট(Bit) দ্বারা অন(ON) বা হাই (High)বা ট্রু (True) বা ইয়‌েস(Yes) বুঝান‌ো হয়ে থাক‌ে।
৩. য‌েহেতু কম্প‌িউটার ইল‌েক্ট্র‌িক স‌িগন্যাল‌ের সাহায্য‌ে কাজ কর‌ে,তাই বাইনার‌ি সিগন্যাল ( ০ ও ১) ক‌ে সহজ‌ে ইল‌েকট্র‌িক স‌িগন্যাল‌ের সাহায্য‌ে প্রকাশ করা যায়।
৪. বাইনার‌ি সিস্ট‌েমে দুট‌ি অবস্থা থাকায় ইল‌েকট্র‌িক সার্ক‌িট ড‌িজাইন খুব সহজ। ফল‌ে কম্প‌িউটার ড‌িজাইন‌ে বাইনার‌ি সংখ্যা পদ্ধত‌ি ব্যবহার করা সুব‌িধাজনক।

 ২। প্রশ্নঃ পৃথ‌িবীর সকল ভাষাক‌ে কে‌ান ক‌োডের মাধ্যম‌ে কে‌াডভুক্ত করা হয়‌েছে? ব্যাখ্যা কর। 
উত্তরঃ Unicode শব্দ‌ের অর্থ হল‌ো Universal Code বা সর্বজনীন ক‌োড। এই ক‌োডের মাধ্যম‌ে বিশ্ব‌ের সকল দ‌েশের সকল ভাষাক‌ে কম্প‌িউটার ক‌োডভুক্ত করা হয়। ইউন‌িকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ ব‌িটের ক‌োড। ফল‌ে ২১৬ বা ৬৫৫৩৬টি বিভিন্ন বর্ণ, অক্ষর, সংখ্যা, চ‌িহ্নক‌ে ক‌োডভুক্ত করা যায়।ইউন‌িকোড ASCII ক‌োডের সাথ‌ে সামঞ্জস্যপূর্ণ, অর্থাৎ ইউন‌িকোডের প্রথম ২৫৬ট‌ি কোড ASCII ক‌োডের অনুরূপ ব‌িধায় সবক্ষ‌েত্র‌ে ইউনিকোডক‌ে সমর্থনয‌োগ্য ক‌োড হ‌িসেবে ব্যবহার করা যায়। তাই বলা হয়ে থাক‌ে - ইউন‌িকোড (Unicode)সারা পৃথ‌িবীর সকল ভাষার মাতৃভাষার বর্ণক‌ে কম্প‌িউটার‌ের বর্ণ‌ে পর‌িণত কর‌েছে। বাংলাদ‌েশ সরকার বাংলা ভাষাক‌ে ইউনিকোডভুক্ত করার জন্য Unicode Consortium এর সদস্য হয়‌েছে। বাংলা অক্ষর ল‌েখার জন্য ইউন‌িকোড হল‌ো \u0980-\u09FF ।

৩। প্রশ্নঃ 'ব‌িট ও বাইট এক নয়'- ক‌েন? 
উত্তরঃ কম্প‌িউটারের ন‌িজস্ব ভাষা ন‌েই। এট‌ি কেবল ব‌িদ্যুতের ভাষা ব‌োঝে। তাই ইংর‌েজি, বাংলা, অারব‌ি প্রভৃত‌ি ক‌োন ভাষাই কম্প‌িউটার ব‌োঝে না। কম্প‌িউটারক‌ে এসব ভাষা ব‌োঝান‌োর জন্য বাইনার‌ি সংখ্যা পদ্ধত‌ি ব্যবহার করা হয়। বাইনার‌ি সংখ্যা পদ্ধত‌িত‌ে শুধুমাত্র ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) এই দুটি অঙ্ক ব্যবহার করা হয়। ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) অঙ্ক দুট‌িকে বিট (Bit) বাইনার‌ি ডিজ‌িট (Binary Digit) বলা হয়। অর্থাৎ বাইনার‌ি সংখ্যা পদ্ধত‌ির প্রত‌িটি অঙ্কই এক একট‌ি বিট (Bit)। অপরদ‌িকে, ৮টি ব‌িট একত্র‌ে যখন ক‌োন একট‌ি অঙ্ক, বর্ণ বা ব‌িশেষ চ‌িহ্নক‌ে প্রকাশ কর‌ে,তখন তাক‌ে বাইট বল‌ে। ৮ ব‌িট ন‌িয়ে একট‌ি বাইট গঠ‌িত হয়। কম্প‌িউটার‌ের ম‌েমোর‌িকে বাইট দ্বারা পর‌িমাপ করা হয়। সুতরাং ব‌িট ও বাইট এক নয়। \

 ৪। প্রশ্নঃ কম্প‌িউটার য‌োগের মাধ্যম‌ে ব‌িভিন্ন গাণ‌িতিক সমস্যার সমাধান কর‌ে-বুঝ‌িয়ে লেখ। 
উত্তরঃ কম্প‌িউটার য‌োগের মাধ্যম‌ে ব‌িভিন্ন গাণ‌িতিক সমস্যার সমাধান কর‌ে। গাণ‌িতিক কাজ বলত‌ে য‌োগ, ব‌িয়োগ, গুন ও ভাগ‌ের কাজক‌ে বুঝায়। এত‌ে প্রত্য‌েকট‌ি কাজ‌ের জন্য অালাদা সার্ক‌িটের প্রয়‌োজন, যা খুব ব্যয়বহুল ও জট‌িল। তাই কম্প‌িউটার ২ এর পর‌িপূরক গঠন‌ের ফল‌ে সব কাজই য‌োগের মাধ্যম‌ে করা সম্ভব। এর ফল‌ে কম্প‌িউটারে সার্ক‌িটের মাত্রা কম‌ে, দাম‌ে সস্তা, দ্রুতগত‌িতে কাজ করত‌ে সাহায্য কর‌ে ও সার্ক‌িটের জট‌িলতা কমায়।

 ৫। প্রশ্নঃ বাইনার‌ি ছাড়া অন্য সংখ্যাক‌ে কম্প‌িউটার সরাসর‌ি গ্রহণ কর‌ে না- ব্যাখ্যা কর। 
 উত্তরঃ কম্প‌িউটার একট‌ি ইলেক্ট্রন‌িক যন্ত্র। কম্প‌িউটার‌ে বাইনার‌ি সংখ্যা ব্যবহার করার মূল কারণ হচ্ছ‌ে কম্প‌িউটার‌ের অভ্যন্তরীণ কার্যাবল‌ি সংখ্যা ন‌ির্ভর। ইল‌েক্ট্রন‌িক ড‌িবাইস- গুল‌ো মূলত সুইচ অন বা অফ এ দুই ম‌োডক‌ে কাজ‌ে লাগ‌িয়ে কাজ কর‌ে বিধায় ড‌িজ‌িটাল সার্ক‌িটে বাইনার‌ি সংখ্যার ব্যবহার দ‌েখা যায়। বাইনার‌ি পদ্ধত‌িতে দুইট‌ি প্রত‌ীকের ব্যবহার করার জন্য ব‌িদ্যুত‌ের উপস্থ‌িতি বা অনুপস্থ‌িতি ক‌িংবা হাই - ল‌ো অবস্থার দ্বারা সহজ‌েই কাজ করা যায়। বাইনার‌ি সংখ্যার প্রত‌ীক মাত্র দু'ট‌ি হওয়ায় এবং বাইনার‌ি অ্যালজ‌েবরা বা বুল‌িয়ান অ্যালজ‌েবরার দ্বারা সকল দশম‌িক সংখ্যার গাণ‌িতিক কাজকর্ম করা সম্ভব ব‌িধায় কম্প‌িউটার‌ে বাইনার‌ি সংখ্যা ব্যবহার করা হয়। এজন্য অন্য ক‌োন সংখ্যাক‌ে কম্প‌িউটার সরাসর‌ি গ্রহণ করে না।

অনলাইন এ ক্লাস করুন একদম ফ্রী. …
প্রতিদিন রাত ৯টা থেকে ১০.৩০টা পর্যন্ত
Skype id - wschoolbd


বি.দ্র.: ওয়েব স্কুল বিডি থেকে বিদেশে পড়াশোনা সংক্রান্ত বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমাদের সাথে যোগাযোগ – 01571769905 (সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত)।


Previous
Next Post »

আপনার কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্টস বক্স এ লিখতে পারেন। আমরা যথাযত চেস্টা করব আপনার সঠিক উত্তর দিতে। ভালো লাগলে ধন্যবাদ দিতে ভুলবেন না।
- শুভকামনায় ওয়েব স্কুল বিডি
ConversionConversion EmoticonEmoticon