আইসিটি অধ্যায় ১.১ : বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত

Posted by: | Published: Thursday, March 24, 2016 | Categories:
ওয়েব স্কুল বিডি : সুপ্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, শুভেচ্ছা নিয়ো। আজ তোমাদের এইচ.এস.সি বা উচ্চমাধ্যমিকের আইসিটি অধ্যায়-১.১ : বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত এর খুঁটিনাটি নিয়ে আলোচনা করা হলো

অনলাইন এক্সামের বিভাগসমূহ:
জে.এস.সি
এস.এস.সি
এইচ.এস.সি
সকল শ্রেণির সৃজনশীল প্রশ্ন (খুব শীঘ্রই আসছে)
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি (খুব শীঘ্রই আসছে)
বিসিএস প্রিলি টেষ্ট

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ১.১ : বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত


প্রশ্নঃ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ক‌ি? ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রভাব বর্ণনা করো। 

ভার্চুয়াল রিয়েলিটিঃ প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনার উদ্যোগকারী বিজ্ঞান নির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা অনুভবের বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত সিস্টেম, যাতে মডেলিং ও অনুকরণবিদ্যা প্রয়োগের মাধ্যমে মানুষ কৃত্রিম ত্রিমাত্রিক ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য পরিবেশের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন বা উপলব্ধি করতে পারে।
ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে অনুকরণকৃত পরিবেশ হুবহু বাস্তব পৃথিবীর মতো হতে পারে। এক্ষেত্রে অনেক সময় ভার্চুয়াল রিয়েলিটি থেকে বাস্তব অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। আবার অনেক সময় অনুকরণকৃত বা সিম্যুলেটেড পরিবেশ বাস্তব থেকে আলাদা হতে পারে।যেমন: ভার্চুয়াল রিয়েলিটি গেমস।

http://www.webschoolbd.com
এতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ব্যবহারকারী সম্পূর্ণরূপে একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে নিমজ্জিত হয়ে যায়।তথ্য আদান-প্রদানকারী বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস সংবলিত হেড মাউন্ডেড ডিসপ্লে, ডেটা গ্লোভ, পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট ইত্যাদি পরিধান করার মাধ্যমে ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে বাস্তবকে উপলব্ধি করা হয়। এ খাতে বর্তমানে উন্নত বিশ্বে প্রচুর অর্থ ব্যয় করছে।সম্প্রতি গুগলও লাইভলি নামে ভার্চুয়াল চ্যাটিং সার্ভিস চালু করেছে।যেখানে ভার্চুয়াল কক্ষে বা পরিবেশে যে কেউ তার বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়স্বজনদ‌ের নিয়ে প্রবেশ করতে পারে।সেখানে ইচ্ছেমতো বস্তু দিয়ে সাজানো, বন্ধুদের সঙ্গে মারামারি, নাচানাচি আবেগের গ্রাফিক্যাল প্রকাশ ইত্যাদি সম্ভব।

প্রাত্যহিক জীবনে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রভাবঃ 
ভবিষ্যতে যখন ভার্চুয়াল রিয়েলিটি অনেক বেশি সহজলভ্য হয়ে যাবে, তখন তা বিনোদন থেকে শুরু করে যোগাযোগ পর্যন্ত প্রায় সবক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হবে।বিভিন্ন পেশা ও গবেষণায় ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রয়োগের ফলে সমাজে এর ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় ধরনের প্রভাব পড়বে বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন।

১. ইতিবাচক প্রভাব চিকিত্সাক্ষেত্রেঃ 
উন্নত বিশ্বে ডাক্তারদের আধুনিক মানের প্রশিক্ষণ প্রদানে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহৃত হচ্ছে।বর্তমানে সার্জিক্যাল প্রশিক্ষণে এসআইএসটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ল্যাবরোস্কোপিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।এই পদ্ধতিতে কম্পিউটার সিম্যুলেশন ব্যবহার করে ল্যাবরোস্কোপিক পরিচালনার বিভিন্ন কৌশল শেখানো হয়।শিক্ষানবিশ ডাক্তাররা এর ফলে অন্তত সহজে ও সুবিধাজনক উপায়ে বাস্তবে অপারেশন থিয়েটারে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।ভার্চুয়াল অপারেটিং কক্ষে ছাত্ররা কৌশলগত দক্ষতা, অপারেশন এবং রোগ সম্পর্কিত তাত্ত্বিক বিষয়াদির কার্যাবলি অনুশীলন করতে সক্ষম হন।

ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ‌েঃ 
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহার করে আজকাল ড্রাইভিং শেখানো হচ্ছে।স্বল্পমূল্যের মাইক্রো কম্পিউটার প্রযুক্তি সহজলভ্য হওয়ায় বিভিন্ন ধরনের ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ড্রাইভিং সিম্যুলেটর উন্নয়ন করা হয়েছে।কম্পিউটার সিম্যুলেশনের মাধ্যমে ড্রাইভিং প্রশিক্ষণের জন্য চালককে একটি নির্দিষ্ট আসনে বসতে হয়।চালকের মাথায় পরিহিত হেড মাউন্ডেড ডিসপ্লের সাহায্যে কম্পিউটার দ্বারা সৃষ্টি যানবাহনের অভ্যন্তরীণ অংশ এবং আশপাশের রাস্তায় পরিবেশের একটি মডেল দেখানো হয়।এর সঙ্গে যুক্ত থাকে একটি হেড ট্রাকিং সিস্টেম।ফলে, ব্যবহারকারী যানবাহনের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক অংশের ৩৬° ডিগ্রি দর্শন লাভ করেন এবং কম্পিউটার সৃষ্ট পরিবেশে মগ্ন থাকেন।

সামরিক বাহিনীতেঃ
 সামরিক বাহিনীতে অনেক বছর ধরে মিলিটারি প্রশিক্ষণে ফ্লাইট সিম্যুলেটর ব্যবহৃত হয়ে আসছে।ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহার করে প্রচলিত ফ্লাইট সিম্যুলেটরের আরও উন্নতি সাধন করা সম্ভব।এ ছাড়া ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে সিমুলেটেড ওয়ার দ্বারা সেনাদের অনেক বেশি বাস্তব ও উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়া যাবে।

ব্যবসা-বাণিজ্যেঃ 
ব্যবসা-বাণিজ্যেও ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ব্যবহার করে তথ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও সহজ করা সম্ভব।ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহারকারীকে ফাইল কেবিনেট দিয়ে কম্পিউটারের ডেক্সটপে তথ্য খুঁজতে হবে না; বরং ব্যবহারকারী নিজেই ফাইল ড্রয়ার খুলতে পারবে এবং নিজের হাতে ফাইলগুলো সাজাতে পারবে।

 ২. নেতিবাচক প্রভাব :

ব্যয় বৃদ্ধিঃ ভার্চুয়াল রিয়েলিটির সরঞ্জামাদির চড়া দাম ও জটিলতা হচ্ছে বর্তমানে বিজ্ঞানীর প্রধান দুটি সমস্যা।
অতিমাত্রায় প্রযুক্তিনির্ভরঃ বর্তমান সমাজের মনুষ্যত্বহীনতা ইস্যুটি হচ্ছে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির আরও একটি নেতিবাচক দিক।পৃথিবীতে আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে আমাদের মনুষ্যত্ব ধরে রাখতে হবে এবং একই সঙ্গে খেয়াল রাখতে হবে যেন আমরা প্রযুক্তি দ্বারা পরিচালিত না হই।কিন্তু যদি বিজ্ঞানীদের ধারণা অনুযায়ী ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বিস্তৃতি লাভ করে, তাহলে মানুষের পারস্পারিক ক্রিয়া উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে।কারণ, মানুষ তখন ভার্চুয়াল রিয়েলিটি দ্বারা বাস্তব জীবনের চেয়েও অনেক ভালো বন্ধু এবং মনের মতো পরিবেশ পাবে।আর মানুষ যদি এভাবে কালো চশমা আর গ্লাভসকে মানুষ ও সমাজের বিকল্প হিসেবে বেছে নেয়, তাহলে মানব সমাজ বিলুপ্ত হতে আর বেশি সময় লাগবে না।

কল্পনানির্ভরঃ ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে মানুষ তার কল্পনার রাজ্যে ইচ্ছে মতো বিচরণ করতে পারে।ফলে, দেখা যাবে যে বেশির ভাগ সময় কাটাবে কল্পনার জগতে এবং খুব কম সময় থাকবে বাস্তব জগতে।কিন্তু এভাবে যদি মানুষ কল্পনা ও বাস্তবের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে না পারে তাহলে এই পৃথিবী চরম অনিশ্চয়তার সম্মুখীন হবে।

 স্বাস্থ্যের ক্ষতিঃ এ ছাড়া গবেষণায় দেখা গেছে যে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মানুষের স্বাস্থ্যের জন্যও হানিকর।এটি মানুষের দৃষ্টিশক্তি ও শ্রবণশক্তির ক্ষতি সাধন করে।

প্রশ্নঃ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি অবাস্তবের বাস্তবতা !
নিজ ঘরে বসে আছেন, মাথায় কিম্ভূতদর্শন এক যন্ত্র লাগিয়ে, এক ঝটকায় চলে গেলেন অন্য কোথাও! হয়তো আপনাদের নিয়মিত আড্ডাখানায়, কোনো সমুদ্রসৈকতে, এমনকি চন্দ্রপৃষ্ঠে কিংবা মঙ্গলের মতো কোনো গ্রহে! সেখানে দৃশ্যমান প্রকৃতি দেখবেন, হেঁটে বেড়াবেন, ফুলের গন্ধ নেবেন, হয়তো ছুঁয়েও দেখবেন।বিজ্ঞান কল্পকাহ‌িনীতে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
তবে এবার আর শুধু কল্পনা নয়, বাস্তবেই এমনটা হতে পারে।কর্মব্যস্ত জীবনে ঈদের সামান্য কটা দিনের ছুটিতেও ঘুরে আসতে পারেন যুক্তরাষ্ট্রের গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন বা ফ্রান্সের বিখ্যাত দ্য ল্যুভর মিউজিয়াম থেকে।তাও আবার ঘরে বসেই! এই অসম্ভব ভাবনার বাস্তব রূপ দেওয়ার নাম ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, যা প্রযুক্তি জগৎকে নতুন করে নাড়া দিয়েছে।ফেসবুক, সনি, স্যামসাং, গুগলের মতো মহারথীরা মহাসমারোহে এই ভার্চুয়াল রিয়েলিটিকে আমাদের দৈনন্দিন কাজের উপযোগী করে তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছে।বলা হচ্ছে, ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি জগতের ‘টার্নিং পয়েন্ট’ হতে পারে এই ভার্চুয়াল রিয়েলিটি।ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কাজ করে মূলত দুটি ধাপে। প্রথমে কম্পিউটারে তৈরি ত্রিমাত্রিক ছবি দিয়ে ভার্চুয়াল পরিমণ্ডল বানানো হয়।

পরের ধাপে ব্যবহারকারীর গতিবিধি অনুসরণ করে ত্রিমাত্রিক ছবি সে অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হয়। আপনি ডান দিকে তাকালে ডান দিকের ছবি দেখাবে, গেমে শত্রু সামনে এলে প্রয়োজন অনুযায়ী হাত নেড়ে তার সঙ্গে লড়াই করতে হবে।এই নাড়াচড়াগুলো অনুসরণ করার জন্য সেন্সর ব্যবহার করা হয়।ত্রিমাত্রিক ছবি দেখার জন্য লেন্সসহ হেডসেট ব্যবহার করা হয়, যা একই সঙ্গে চোখের গতিবিধির হিসাব রাখে।সাম্প্রতিক সময়ে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি নিয়ে বেশ হইচই পড়ে গেলেও এ ধারণা মোটেও নতুন নয়।১৯৬২ সালে চলচ্চিত্র নির্মাতা মর্টন হেলিগ সেনসোরামা নামের একটি যন্ত্র তৈরি করেন, যাতে চেয়ারে বসে পর্দার ভেতরে মাথা ঢুকিয়ে দিয়ে ত্রিমাত্রিক ছবি দেখা যেত, সেই সঙ্গে কম্পনের মাধ্যমে অনুভূতি এবং গন্ধ পাওয়া যেত।বড়সড় আকারের হওয়ায় ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য যন্ত্রটি সুবিধাজনক ছিল না।মাথায় পরার মতো ছোট ভার্চুয়াল রিয়েলিটি যন্ত্র ১৯৬৮ সালে প্রথম তৈরি করেন মার্কিন বিজ্ঞানী আইভান সাদারল্যান্ড।এরপরে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ব্যবহার একতরফাভাবে সামরিক এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণের কাজে দেখা যায়। লড়াইয়ের কৌশল কিংবা বিমান বা জাহাজ চালনা শেখার ক্ষেত্রে এটি ভালো ফল দেওয়া শুরু করে।মজার ব্যাপার, তখনো কিন্তু ‘ভার্চুয়াল রিয়েলিটি’ নামটাই চালু হয়নি।আশির দশকে মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী জ্যারন ল্যানিয়ার প্রথম ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দযুগলের প্রচলন শুরু করেন।

নব্বইয়ের দশকে কিছু যন্ত্র তৈরি হয়েছিল বটে, তবে এরপর তা নিয়ে আলোচনা একরকম থেমে যায়।এর স্বপ্নদ্রষ্টারা যে কাজের জন্য ভার্চুয়াল রিয়েলিটি তৈরি করতে চেয়েছিলেন, তা একরকম দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছিল সে সময়ে।২০১২ সালে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রতিষ্ঠান ওকুলাস ভিআর ‘ওকুলাস রিফট’ নামের মাথায় পরিধেয় যন্ত্র বানানোর ঘোষণা দেয়, যা গেম খেলার ধারণা আমূল পালটে দেবে।এ যন্ত্রের কারণে মানুষ নিজেই গেমের একটি চরিত্রে পরিণত হবে, যে কিনা শত্রুর মোকাবিলা করছে কিংবা গুপ্তধন খুঁজে বেড়াচ্ছে।গত ২৬ মার্চে ওকুলাস ভিআর ২০০ কোটি মার্কিন ডলারে কিনে নেওয়ার ঘোষণা দেয় ফেসবুক।এরপরই সবাই নড়েচড়ে বসে।ভবিষ্যতের সামাজিক যোগাযোগ রক্ষাটা কি তবে ভার্চুয়াল জগতে হবে, এমন প্রশ্নে প্রযুক্তিবিশ্ব মুখর হয়ে ওঠে।এদিকে সনি শুধু প্লে স্টেশনের গেম খেলার জন্য তৈরি করছে মরফিউস নামের ভার্চুয়াল রিয়েলিটি যন্ত্র।অপর দিকে ওকুলাসের সঙ্গে যৌথভাবে স্যামসাং তাদের নতুন স্মার্টফোনের জন্য গিয়ার ভিআর নামের যন্ত্রের ঘোষণা দিয়েছে।গুগলের আই/ও সম্মেলনে কার্ডবোর্ডের তৈরি কম খরচের একটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি যন্ত্র দেখানো হয়।কাজ করার জন্য এর মধ্যে স্মার্টফোন দিয়ে চোখে লাগাতে হয়।তবে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি যন্ত্রগুলো ব্যবহারে বেশ কিছু সমস্যা দেখা দিচ্ছে। ব‌েশ‌িক্ষণ ব্যবহারে বমি বমি ভাব সেগুলোর মধ্যে অন্যতম।ত্রিমাত্রিক দুনিয়ায় বিচরণে এখনো মানুষ অভ্যস্ত হয়ে ওঠেনি।

ওকুলাস রিফট বা সনির মরফিউস, দুটিই পরীক্ষামূলক পর্যায়ে আছে।এখনো সম্পূর্ণ ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতা কেউ দিতে পারেনি।চূড়ান্ত পণ্যে সমস্যার সমাধান নিশ্চয় করা হবে।তবে ড‌েটা সংস্করণগুলো কেনার সুযোগ আছে ওকুলাসের ওয়েবসাইটে। সেখানে কিছু গেম খেলার ব্যবস্থাও আছে।এত দিন ভার্চুয়াল রিয়েলিটির কেন্দ্রে ছিল গেমিংশিল্প।কিন্তু ফেসবুকের ওকুলাস ভিআর ক্রয়ে নতুন সম্ভাবনা উঁকি দিতে শুরু করেছে।ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ নিজেই বলেছেন, খেলার মাঠে বন্ধুর ছবি না দেখে সরাসরি মাঠে তার সঙ্গে কেন যোগ দেব না? নিজে উপস্থিত হয়ে ঘুরে দেখার সুযোগ যখন আছে, তখন কেন ভিডিও চ্যাটে বন্ধুর বাড়ি দেখব? মুখোমুখি ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া সম্ভব, বিশ্বের নানা প্রান্তের শিক্ষক-ছাত্রের সঙ্গে একই শ্র‌েণীকক্ষে পাঠ গ্রহণ সম্ভব।আর এসব করা যাবে ঘরে বসেই, ভার্চুয়াল রিয়েলিটির সাহায্যে।

আইসিটি অধ্যায় ১.2 বিশ্বগ্রাম

আইসিটি অধ্যায় ১. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

আইসিটি অধ্যায় ১.১ মার্শাল ম্যাকলুহানের জীবনী 

অনলাইন এ ক্লাস করুন একদম ফ্রী. …
প্রতিদিন রাত ৯টা থেকে ১০.৩০টা পর্যন্ত
Skype id - wschoolbd


বি.দ্র.: ওয়েব স্কুল বিডি থেকে বিদেশে পড়াশোনা সংক্রান্ত বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমাদের সাথে যোগাযোগ – 01571769905 (সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত)।


Previous
Next Post »

আপনার কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্টস বক্স এ লিখতে পারেন। আমরা যথাযত চেস্টা করব আপনার সঠিক উত্তর দিতে। ভালো লাগলে ধন্যবাদ দিতে ভুলবেন না।
- শুভকামনায় ওয়েব স্কুল বিডি
ConversionConversion EmoticonEmoticon