JSC ICT Chapter1 Written Question

Posted by: | Published: Friday, February 26, 2016 | Categories:
ওয়েব স্কুল বিডি : সুপ্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, শুভেচ্ছা নিয়ো। আজ তোমাদের জে.এস.সি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধ্যায় : - ১ম এর খুঁটিনাটি নিয়ে আলোচনা করা হলো

অনলাইন এক্সামের বিভাগসমূহ:
জে.এস.সি
এস.এস.সি
এইচ.এস.সি
সকল শ্রেণির সৃজনশীল প্রশ্ন (খুব শীঘ্রই আসছে)
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি (খুব শীঘ্রই আসছে)
বিসিএস প্রিলি টেষ্ট

প্রশ্ন: আউটসোর্সিংয়ের বর্ণনা দাও। ঘরে বসে আয় করার জন্য কী ধরনের যোগ্যতা দরকার?
উত্তর: বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের নিজেদের অনেক কাজ যেমন: ওয়েবসাইট উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, মাসিক বেতন, বিল প্রস্তুতকরণ, ওয়েবসাইটে তথ্য যোগ করা, সফটওয়্যার তৈরি করা ইত্যাদি কাজ অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিগোষ্ঠী দ্বারা পারিশ্রমিকের বিনিময়ে সম্পন্ন করিয়ে নেয়, তখন তাকে আউটসোর্সিং বলে।
http://www.webschoolbd.com/

ইন্টারনেটের বিকাশের ফলে বর্তমানে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর জন্য ঘরে বসে অন্য দেশের কাজ করে দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ইন্টারনেটে যুক্ত থাকলে যে কেউ এ কাজে যুক্ত হতে পারে। তবে এ ধরনের কাজের ক্ষেত্রে উপযুক্ত দক্ষতার পাশাপাশি ভাষার দক্ষতারও প্রয়োজন পড়ে।
 কয়েকটি আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান হলো ওডেক্স, ফ্রিল্যান্সার, ইল্যান্স প্রভৃতি।
আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে যেসব কাজ করা হয় তা হলো:
১. বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের নিজেদের অনেক কাজ যেমন: ওয়েবসাইট উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, মাসিক বেতন-ভাতার বিল প্রস্তুতকরণ, ওয়েবসাইটে তথ্য যোগ করা, আর্টিকেল লেখা, ডিজাইন তৈরি, সফটওয়্যার তৈরি ইত্যাদি অন্য দেশের কর্মী দ্বারা করিয়ে নেয়। তবে এ ক্ষেত্রে কর্মীদের সংশ্লিষ্ট কাজে অবশ্যই যথেষ্ট দক্ষ হতে হয়।
২. আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে যে কেউ অতি দ্রুত এবং ঘরে বসে তার মেধা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে অর্থ উপার্জন করতে পারে।
৩. বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন তৈরি, এডিটিং ইত্যাদি কাজও আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে কর্মীরা করে থাকে।

প্রশ্ন: যোগাযোগ করার পদ্ধতিকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়? উদাহরণসহ বর্ণনা দাও।
উত্তর: যোগাযোগ করার পদ্ধতিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. একমুখী যোগাযোগ পদ্ধতি, ২. দ্বিমুখী যোগাযোগ পদ্ধতি।
নিচে এই পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:
একমুখী যোগাযোগ পদ্ধতি: একমুখী পদ্ধতিতে যোগাযোগ হয় এক পক্ষ থেকে। যখন একজন বা একটি প্রতিষ্ঠান ‘একমুখী’ পদ্ধতিতে অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ করে, সেটিকে একমুখী পদ্ধতি বা ইংরেজিতে ব্রডকাস্ট বলে।
উদাহরণ: রেডিও বা টেলিভিশন হলো একমুখী পদ্ধতির সবচেয়ে বড় উদাহরণ। এ প্রক্রিয়ায় যখন কোনো অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়, তখন তা সবার জন্য প্রচার করা হয়, এটি ব্রডকাস্ট পদ্ধতি। আর এ ক্ষেত্রে যাদের জন্য অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়, তারা পাল্টা যোগাযোগ করতে পারে না বলে এটি একমুখী পদ্ধতি।
২. দ্বিমুখী যোগাযোগ পদ্ধতি: দ্বিমুখী পদ্ধতিতে যোগাযোগ হয় দুই পক্ষ থেকে। এ ক্ষেত্রে দুই পক্ষেরই যোগাযোগ করার সুযোগ তৈরি হয়।
উদাহরণ: এ প্রক্রিয়ার সবচেয়ে ভালো উদাহরণ হলো টেলিফোন, মোবাইল। কেননা এগুলোর মাধ্যমে দুজন একই সঙ্গে পরস্পরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। এটি সম্ভব হয়েছে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির অভূতপূর্ব উন্নয়নের জন্য।

প্রশ্ন: সরকারি কর্মকাণ্ডে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) কোন কোন ক্ষেত্রে ব্যবহূত হচ্ছে, বর্ণনা দাও।
উত্তর: বর্তমানে বাংলাদেশে বিভিন্ন নাগরিক কর্মকাণ্ডে আইসিটির গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ রয়েছে। এখানে কয়েকটি ক্ষেত্রে আইসিটির ভূমিকা সম্পর্কে উল্লেখ করা হলো:
১. ওয়েবসাইট ও পোর্টালের মাধ্যমে সব তথ্য সরাসরি জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়।
২. জমিজমার বিভিন্ন রেকর্ড সংগ্রহের জন্য, জমির দলিলের জন্য আবেদন করা এবং অনুলিপি সংগ্রহের জন্য ই-পর্চার ব্যবস্থা রয়েছে।
৩. কৃষকেরা ই-পুর্জি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পেয়ে যথাসময়ে চিনিকলে ইক্ষু সরবরাহ করতে পারেন।
৪. পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল এখন অনলাইন ওয়েবসাইটে এবং মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়।
৫. অনলাইনে পাঠ্যপুস্তক প্রাপ্তি এবং পড়ার জন্য ই-বুক ব্যবহূত হয়।
৬. ই-স্বাস্থ্যসেবাব্যবস্থায় চিকিত্সা প্রদানে মোবাইল ফোনভিত্তিক টেলিমেডিসিন সেবা চালু হয়েছে।
৭. অনলাইনে আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত করা যায়।
৮. পোস্টাল ক্যাশ কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং, ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফারের মাধ্যমে বর্তমানে দেশে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অর্থ প্রেরণ দ্রুত ও সহজ হয়েছে।
৯. বর্তমানে বিদ্যুত্, পানি ও গ্যাসের বিল অনলাইনে বা মোবাইল পরিষেবায় বিল পরিশোধ করা যায়।
১০. ট্রেন বা বিমানের টিকিটের ব্যবস্থাও বর্তমানে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে করা যায়।
তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে এবং বিভিন্ন নাগরিক কর্মকাণ্ডে আইসিটির ব্যবহারের কারণে বাংলাদেশের মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অনেক কাজ সহজ হয়ে গেছে।

প্রশ্ন: ই-বুক, ই-পর্চা ও ই-পুর্জির বর্ণনা দাও।
উত্তর: ই-বুক: ই-বুকের পূর্ণ নাম হলো ইলেকট্রনিক বুক। সংক্ষেপে বললে, কাগজে প্রিন্ট করা বইয়ের ডিজিটাল ভার্সন হলো ই-বুক। কম্পিউটার ও ই-বুক রিডারের মাধ্যমে ই-বুক পড়া যায়। এটি অনেক সুবিধাজনক ও ঝামেলামুক্ত। উন্নত দেশগুলোতে ই-বুক ব্যাপকভাবে প্রচলিত থাকলেও আমাদের দেশে এর ব্যবহার সর্বসাধারণ পর্যায়ে এখনো তেমন পৌঁছায়নি। আমাদের দেশের পাঠ্যপুস্তক অনলাইনে সহজে পাওয়ার জন্য সরকারিভাবে একটি ই-বুক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে, যার ঠিকানা www.ebook.gov.bd। এতে ৩০০টি পাঠ্যপুস্তক ও ১০০টি সহায়ক পুস্তক রয়েছে।
ই-পর্চা: ই-পর্চা এমন একটি সেবা-প্রক্রিয়া, যেখানে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি ব্যবহার করে জনগণকে জমিজমা-সংক্রান্ত সেবা প্রদান করা হয়। আগে জমিজমার রেকর্ড সংগ্রহের জন্য জমির মালিকেরা অনেক হয়রানির শিকার হতেন। কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে বর্তমানে দেশের ৬৪টি জেলায় ই-সেবাকেন্দ্র থেকে এই দলিল সহজে সংগ্রহ করা যায়। এ জন্য অনলাইনে আবেদন করে আবেদনকারী জমিজমা-সংক্রান্ত বিভিন্ন দলিল যেমন এসএ, সিএস, বিএস, বিআরএসের নকল/পর্চা/খতিয়ান কিংবা সত্যায়িত অনুলিপি সংগ্রহ করতে পারেন।
ই-পুর্জি: ই-পুর্জি হলো চিনিকলে ইক্ষু সরবরাহের ডিজিটাল অনুমতিপত্র। এর আগে চাষিদের ইক্ষু সরবরাহের অনুমতি পেতে অনেক হয়রানির সম্মুখীন হতে হতো। কিন্তু বর্তমানে ই-পুর্জি সেবা চালু হওয়ার কারণে কৃষকেরা ঘরে বসে মোবাইল ফোনেই তাঁদের পুর্জি সংগ্রহ করতে পারছেন। এর ফলে সব ধরনের হয়রানির অবসান হওয়ার পাশাপাশি কৃষকেরা তাঁদের ইক্ষু সরবরাহব্যবস্থাও উন্নত করতে পেরেছেন।

অনলাইন এ ক্লাস করুন একদম ফ্রী. …
প্রতিদিন রাত ৯টা থেকে ১০.৩০টা পর্যন্ত
Skype id - wschoolbd


বি.দ্র.: ওয়েব স্কুল বিডি থেকে বিদেশে পড়াশোনা সংক্রান্ত বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমাদের সাথে যোগাযোগ – 01571769905 (সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত)।


Previous
Next Post »

আপনার কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্টস বক্স এ লিখতে পারেন। আমরা যথাযত চেস্টা করব আপনার সঠিক উত্তর দিতে। ভালো লাগলে ধন্যবাদ দিতে ভুলবেন না।
- শুভকামনায় ওয়েব স্কুল বিডি
ConversionConversion EmoticonEmoticon